শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সমবায় ভবনে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আয়োজনে সমবায় সমিতির মাধ্যমে নগর ও পল্লী অঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের কর্মকৌশল নির্ধারণবিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশের ৫০৩টি উপজেলার উন্নয়নে ভারসাম্য রাখতে হবে। একটি উপজেলার জন্য এমন সুবিধা দেওয়া উচিত নয়, যা অন্য উপজেলার মানুষ পাবে না। সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের প্রধান দায়িত্ব হলো উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন সমন্বয়ের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করেছে। সীমিত সম্পদের কারণে একবারে সব বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও আগামী কয়েক বছরে পর্যায়ক্রমে উদ্যোগ নেওয়া হবে। মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিবছর বেতন সমন্বয়ের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রচলিত জ্বালানির উৎস সীমিত হয়ে আসায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার জরুরি। সৌরশক্তির যথাযথ ব্যবহার ব্যয় সাশ্রয় ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। এ ছাড়া পল্লী উন্নয়ন বোর্ডকে অধিদপ্তরে রূপান্তরের প্রস্তাবসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক কাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হবে।
দেশে প্রায় আড়াই লাখ নিবন্ধিত সমবায় সমিতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু সমিতির সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, সেগুলোকে কার্যকর ও জনকল্যাণমুখী করতে হবে। সাধারণ মানুষের জন্য সমবায় সমিতির নিবন্ধন প্রক্রিয়াও সহজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ভবন ও হাটবাজারের ছাদে সৌরপ্যানেল স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সমবায় সমিতির মাধ্যমেও সৌরপ্যানেল স্থাপন করা গেলে বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সহায়তা মিলবে। এ কাজে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে ইতোমধ্যে ৩৯০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।




