আজ চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা বহির্নোঙরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত গমবাহী জাহাজ এমভি ‘স্প্রিং স্কাই’ পরিদর্শনকালে তিনি এ নির্দেশ দেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যশস্যের মান পরীক্ষায় নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, যাতে নিম্নমানের খাদ্যশস্য গ্রহণ বা সরবরাহের সুযোগ না থাকে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সততা, পেশাদারত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা বা মান যাচাইয়ে শৈথিল্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি আরও বলেন, আমদানিকৃত খাদ্যশস্যের মান বজায় রেখে যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো ও সঠিকভাবে সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। খাদ্য ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে, এতে কিছুটা সময় লাগবে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক দায়িত্ব। কোনো মানুষ যেন খাদ্যসংকটে না পড়েন এবং সবার কাছে সময়মতো খাদ্য পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেশাগত দক্ষতা ও কাজের আন্তরিকতার যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।




