রোববার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) প্রতিনিধিদের সঙ্গে পর্যালোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। সভায় আসন্ন শুষ্ক মৌসুমে ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং ইটের বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, নির্মাণস্থল ঘিরে রাখা, মাটি-বালিসহ নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নিয়মিত পানি ছিটানো এবং নির্মাণবর্জ্য দ্রুত অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে। পরিবহনকারী যানবাহন আচ্ছাদিত রাখা ও চাকা পরিষ্কার করে সড়কে চলাচল নিশ্চিত করার পাশাপাশি সড়ক ও ফুটপাতে নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখা থেকেও বিরত থাকতে হবে।
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ধুলিদূষণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নির্মাণ প্রকল্পের দৈনন্দিন কার্যক্রমের অংশ করতে হবে। তিনি রিহ্যাবের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার বাড়াতে প্রকল্পভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের আহ্বান জানান।
সভায় রিহ্যাবের সভাপতি ড. আলী আফজাল ও সিনিয়র সহসভাপতি মো. আব্দুর রাজ্জাক ব্লকের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং ইটের বিকল্প হিসেবে ব্লক ব্যবহারে নির্মাণব্যয় যাতে না বাড়ে, সে বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ ছাড়া নতুন আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব ব্লক ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ, রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়, ভবন নির্মাণ অনুমোদনে ব্লক ব্যবহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত এবং ব্লকের ওপর ভ্যাট, কর ও কাঁচামাল আমদানি শুল্ক যৌক্তিকীকরণের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় নির্মাণ প্রকল্পে পরিবেশগত বিধিবিধান প্রতিপালন, অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং নিয়মিত পরিবীক্ষণ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ সময় মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, অতিরিক্ত সচিব ড. মো. সাইদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও রিহ্যাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।




