সোমবার (১২ অক্টোবর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চের বিচারকদের স্বাক্ষরের পর ১৫ ও ৩২ পৃষ্ঠার পৃথক রায় দুটি প্রকাশ করা হয়।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর গ্রামীণ কল্যাণের দায়ের করা দুটি রিট খারিজ করে রায় দেন হাইকোর্ট। রিট খারিজ হওয়ায় এনবিআরের দাবি করা আয়কর আদায়ে আর বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ করবর্ষ পর্যন্ত গ্রামীণ কল্যাণের কাছে কর দাবি নিয়ে ২০১৭ সালে পৃথক দুটি রিট করা হয়। প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করেন। পরে রুল খারিজ করে রায় দেন নতুন বেঞ্চ।
এর আগে ২০২৪ সালের ৪ অক্টোবর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এ-সংক্রান্ত আগের রায় প্রত্যাহার করে মামলার নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠান। পরে মামলাটি নতুন বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠানো হয়।
আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন ও ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।




