মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বাচ্চাদের বইয়েও ২৫২ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ! ক্ষমতা কি লুটপাটের লাইসেন্স? জনগণের টাকার পাই-পয়সার হিসাব দে!’
এদিকে, ঠিকাদারদের মধ্যে সিন্ডিকেট ও পাঠ্যবই ছাপায় অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে এনসিটিবির কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে প্রাথমিক প্রাক্কলন, দাপ্তরিক মূল্যতালিকা ও ৪২৩তম বোর্ডসভার কার্যবিবরণীসহ বিভিন্ন নথি সংগ্রহ করে দুদক। সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব নথি যাচাই করে কমিশনে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপার দরপত্রের প্রাক্কলিত মূল্য ঠিকাদারদের একটি অংশ আগেই জেনে যায়। পরে প্রাক্কলিত দর বাড়ানোর দাবিতে মুদ্রণশিল্পের ৭৫ জন মালিক আবেদন করেন। এনসিটিবির বোর্ডসভার কার্যবিবরণীতে ওই আবেদনের পর দর পুনর্নির্ধারণের সিদ্ধান্তের উল্লেখ রয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে।



