সোমবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, নারীপ্রধান পরিবারগুলোর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়া হবে। আজ থেকে দেশব্যাপী বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, তথ্য সংগ্রহের কাজে ৬৬ হাজার ৬১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত রয়েছেন। তাঁরা বিশেষায়িত ট্যাবলেটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে সরাসরি অনলাইন ডেটাবেজে জমা দেবেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা যাচাই করে উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। সব নারীপ্রধান পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেলেও ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত যোগ্যতা প্রযোজ্য হবে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪০ লাখ নারীপ্রধান পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য মোট ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের মধ্যে ১২ হাজার কোটি টাকা ভাতা হিসেবে রাখা হয়েছে। পরবর্তী তিন অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে যোগ্য সব নারীপ্রধান পরিবারকে কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, ফ্যামিলি কার্ডে ডুয়াল চিপ, কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি যুক্ত থাকবে। পাশাপাশি এজেন্ট ব্যাংকিং এবং বিকাশ, রকেট, উপায় ও ট্যাপের মতো মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে ভাতা উত্তোলনের সুবিধা রাখা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




