সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএইর রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ আলী খাসিফ আবদুল্লাহ আলহামুদির সঙ্গে বৈঠকে মন্ত্রী এ প্রস্তাব দেন।
বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার কারণে ভবিষ্যতে বিশুদ্ধ পানির প্রাপ্যতা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় লবণাক্ত পানিকে সুপেয় পানিতে রূপান্তরে ইউএইর সহযোগিতা প্রয়োজন। বিদেশি বিনিয়োগের অর্থ ধাপে ধাপে পরিশোধের সুযোগ থাকলে বাংলাদেশের জন্য বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন সহজ হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ইউএইর উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। দেশটির শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে বাংলাদেশের সহযোগিতা চান তিনি। পাশাপাশি ইউএই থেকে আমদানি করা উন্নতমানের চুনাপাথরের ওপর কর কমিয়ে আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
বৈঠকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের চ্যালেঞ্জ, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এ সময় ইউএই দূতাবাসের অর্থনৈতিক বিশ্লেষক শাহমিনা ইশা মান্নান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা শিবির বিচিত্র বড়ুয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



