বৈঠকে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগ চালুর সম্ভাবনা, বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও থাইল্যান্ডের রানং বন্দরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, এই সংযোগ বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক আঞ্চলিক বাণিজ্য নেটওয়ার্কে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। এতে পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমার পাশাপাশি বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার হবে।
নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে সমুদ্রবন্দর ও নৌপরিবহন খাতের আধুনিকায়ন জরুরি। চট্টগ্রাম ও রানং বন্দরের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। বৈঠকে উভয় পক্ষ দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি নৌপরিবহন খাতের উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন। এ সময় নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়াসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


