মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলা শুরু হলে চট্টগ্রামের অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের তৎকালীন উপঅধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান ‘উই রিভোল্ট’ বলে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে তিনি ২৬ মার্চ রাত ২টা ১৫ মিনিটে স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামের নির্দেশ দেন এবং ২৭ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক এক অধ্যায়।
প্রধানমন্ত্রী জানান, আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার স্পেস ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধের সক্ষমতা বাড়াতে প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দেশে প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠা এবং সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বিত সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সেনাসদস্যদের কল্যাণে গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, জাতীয় পে-স্কেলে সশস্ত্র বাহিনীর বেতন-ভাতা ১০০ থেকে ১৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ‘ওয়ান র্যাংক ওয়ান পেনশন’ বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার।


