এর আগে ১৪ অক্টোবর বালিগঞ্জে রাস্তা পার হওয়ার সময় ট্রাম দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন তিনি।
জীবনানন্দ দাশের আদি নিবাস বাংলাদেশের বরিশালে হলেও তাঁর পূর্বপুরুষদের বাস ছিল তৎকালীন ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে। বাবা সত্যানন্দ দাশগুপ্ত এবং ‘আদর্শ ছেলে’ কবিতার রচয়িতা মা কুসুমকুমারী দাশের সন্তান জীবনানন্দের জীবন কেটেছে প্রচণ্ড অর্থকষ্ট ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। জীবদ্দশায় তাঁর মাত্র সাতটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হলেও মৃত্যুর পর উদ্ধার হওয়া পাণ্ডুলিপি থেকে তাঁর বহু কালজয়ী কবিতা, গল্প ও উপন্যাস সামনে আসে। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে— ঝরা পালক, ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী এবং রূপসী বাংলা।
বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান এই বাঙালি কবি তাঁর লেখায় বাংলার নিসর্গ, মানুষের অন্তর্লীন নিঃসঙ্গতা ও আধুনিক নগরজীবনের ক্লান্তি নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের আগে সপরিবারে তিনি কলকাতায় পাড়ি জমান। বরিশালে রেখে যাওয়া তাঁর বেদখল হওয়া পৈতৃক বাড়িটি উদ্ধারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন সংস্কৃতিকর্মীরা।


