দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার হরিচণ্ডী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি মক্তবে আরবি পড়াতেন। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর মক্তব শেষে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে ওই ছাত্রীকে দিয়ে মসজিদ পরিষ্কার করাতেন মুছা মিয়া। ওই দিন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন তিনি। একইভাবে ১ ও ২ ডিসেম্বরও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
পরবর্তীতে মেয়ের আচরণে পরিবর্তন দেখে ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা করেন তার মা। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৫ মে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচার চলাকালে ১০ জনের সাক্ষ্য ও তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।


