প্রকল্প সূত্র জানায়, এটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য আসা তৃতীয় চালান। এর আগে প্রথম ইউনিটের জন্য একটি চালান এসেছিল। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংস্থা রোসাটমের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি এবং প্রথম ইউনিটে পুনরায় জ্বালানি সরবরাহের জন্য দুটিসহ মোট নয়টি কার্গো বিমানে এসব পারমাণবিক জ্বালানি বাংলাদেশে আনা হবে।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিদ্যুৎকেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে ‘পাওয়ার স্টার্টআপ স্টেজ-সি’ কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা)। এই ধাপে রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বাড়িয়ে বিভিন্ন যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নভেম্বরে প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।


