চলতি বছরের জানুয়ারিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রুমেন রাদেভ পদত্যাগ করলে ৬২ বছর বয়সী ইয়োতোভা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পান। পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রাখার পক্ষে। এছাড়া রুশ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সামরিক সংঘাতের বদলে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে অবস্থান এই রাজনীতিকের।
বুলগেরিয়ায় রাষ্ট্রপতির পদটি অনেকটা আনুষ্ঠানিক হলেও সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় এর রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। দেশটির সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আইন প্রণয়নে ভেটো দেওয়া ও আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষরের ক্ষমতা রাখেন।


