প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিরাপদ প্রাণিজ খাদ্য উৎপাদনের বিকল্প নেই। এ খাতে যথেচ্ছ অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। তাই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবিলায় প্রান্তিক খামারিদের সচেতন করার ওপর জোর দেন তিনি। এ সময় বিএলআরআইয়ের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনের প্রশংসা করে তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে দুটি দেশীয় ভ্যাকসিন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করেছে।
এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বলেন, নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনের পর শ্রমিকরা কাজে ফিরলেও একটি পক্ষ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। বিশৃঙ্খলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক, ঢাকা জেলা প্রশাসক মো. ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজাহান খানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।


