ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, এস আলম গোষ্ঠীর অনিয়মে সৃষ্ট মূলধন সংকট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে বিদেশি কৌশলগত বিনিয়োগকারী যুক্ত করা যায়। সিদ্ধান্তটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও ইজিএমে শেয়ারধারীদের অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হবে।
চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে ব্যাংকটির নিট লোকসান হয়েছে ৩ হাজার ৩০৩ কোটি টাকা; আগের বছর একই সময়ে মুনাফা ছিল প্রায় ৭৯ কোটি টাকা। লোকসানে ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে নিট সম্পদমূল্য কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকায়। ২০২৩ সালের পর লভ্যাংশ না দেওয়ায় ব্যাংকটি এখন ‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত।


