তিনি বলেন, চক্ষু রোগের ঝুঁকি কমাতে হলে শুধু চোখের স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবলে চলবে না; ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক ও কিডনি রোগসহ সামগ্রিক স্বাস্থ্যঝুঁকিগুলোকেও সমন্বিতভাবে বিবেচনায় নিতে হবে। প্রত্যেককে নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি নিয়মিত যত্নশীল ও সচেতন হতে হবে।
রোববার ঢাকার একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশের চক্ষুস্বাস্থ্যবিষয়ক বহুখাতভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা যাচাই ও চূড়ান্তকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ এন এম মঈনুল ইসলাম।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু সরকারের পক্ষে সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়; এ জন্য সর্বস্তরে সচেতনতা বাড়াতে হবে। ডায়াবেটিসের কারণে চোখ ও কিডনির ক্ষতিসহ হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ছে। অন্যদিকে চোখের ছানির অস্ত্রোপচারও অনেকের জন্য ব্যয়বহুল। তাই রোগ প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তকরণের পাশাপাশি চক্ষুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিকিৎসকদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক, চক্ষু ও কিডনি রোগ একে অপরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। ফলে এসব রোগকে বিচ্ছিন্নভাবে বিবেচনা করে শুধু আলাদা আলাদা চিকিৎসা দেওয়ার মাধ্যমে মানুষের সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়; প্রয়োজন সমন্বিত চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ।



