তবে ব্যক্তিগত রেকর্ড বা লিওনেল মেসির গোলসংখ্যা ছোঁয়ার বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন না বলে জানিয়েছেন এমবাপ্পে। তার একমাত্র লক্ষ্য ফ্রান্সকে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেওয়া।
ম্যাচ শেষে এমবাপ্পে বলেন, “আমাদের লক্ষ্য যতদূর সম্ভব এগিয়ে যাওয়া। আগামী ১৯ জুলাই এখানে ফিরে এসে শিরোপা জেতার চেষ্টা করা। আপনি যত বেশি গোল করবেন, তালিকায় তত উপরে উঠবেন—এটাই স্বাভাবিক। তবে আমি নিশ্চিত, লিও (মেসি) সামনে আরও গোল করবে। আমার মনোযোগ রেকর্ড নিয়ে নয়, আমি শুধু প্রতিপক্ষকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার দিকেই মনোযোগী।”
সুইডেনের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর আবারও আলোচনায় এসেছে মেসি-এমবাপ্পে দ্বৈরথ। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো এবারের আসরেও দুই তারকার পারফরম্যান্স নিয়ে চলছে আলোচনা। তবে এমবাপ্পে জানিয়েছেন, তিনি এসব তুলনায় গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
ফরাসি ফরোয়ার্ডের মতে, নকআউট পর্বে প্রতিটি ম্যাচই আলাদা চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, “আমরা জানতাম নকআউট পর্ব থেকে নতুন এক প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে। এভাবে শুরু করতে পারাটা ইতিবাচক। পরের ধাপে যেতে পেরে আমরা আনন্দিত।”
এদিকে দলের প্রধান কোচ দিদিয়ের দেশমের কঠিন ব্যক্তিগত সময়েও তার পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন এমবাপ্পে। মায়ের মৃত্যুর কারণে কয়েকদিন দলের বাইরে থাকার পর সুইডেন ম্যাচের আগে আবার দায়িত্বে ফেরেন দেশম।
এমবাপ্পে বলেন, “বিশ্বকাপ কিংবা ফুটবলের চেয়েও জীবনে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। পুরো দল কোচের পাশে আছে। একতাবদ্ধ থাকাই এই দলের পরিচয়। আমরা তাকে বোঝাতে চেয়েছি, তিনি একা নন। সামনে যা-ই আসুক, আমরা সবাই আমাদের কোচের সঙ্গে আছি।”