শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের নলদহ পূর্বপাড়া (লালগোলা) এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত তুহিন খাঁ সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের টাটিপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান (হাবি খা)-এর ছেলে। তার শ্বশুর আকতার হোসেন দুবাইপ্রবাসী এবং স্ত্রী আফসানা খাতুন।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার তুহিন শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান। সন্ধ্যার দিকে স্ত্রী আফসানা খাতুনের সঙ্গে তার পারিবারিক বিরোধ হয়। শনিবার সকালে স্থানীয়রা ডোবায় একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের গলায় একটি গামছা পেঁচানো ছিল।
ওসি তারিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তুহিন মসজিদের বারান্দায় গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। রাত প্রায় ২টার দিকে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও তখন মরদেহ পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয় কয়েকজন মরদেহটি পুকুরে ফেলে দেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। সকালে ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে আবার পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, তুহিন মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে শ্বশুরবাড়িতে তার সঙ্গে বিরোধ হয়েছিল। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।