বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুদক চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো অভিযোগপত্রে এসব অভিযোগ করেন পুঁজিবাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারী ও সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষে হাসান মাসুদ।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ডিএসইর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) আসাদুর রহমানকে নিয়মিত নিয়োগ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তার বিরুদ্ধে ইনসাইডার ট্রেডিং, একাধিক বিও হিসাবের মাধ্যমে শেয়ার লেনদেন, বেনামে ব্রোকার হাউস ক্রয় এবং বিভিন্ন কেনাকাটায় কমিশন গ্রহণের অভিযোগও আনা হয়েছে।
একই অভিযোগপত্রে ডিএসইর জেনারেল ম্যানেজার ছামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম এবং যৌথ ব্যবসায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া জেনারেল ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, সাইদ মো. জুবায়ের এবং হাসানুল করিমকে বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদন ছাড়া পদোন্নতি দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের প্রায় ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাতে সহায়তা, ইনসাইডার ট্রেডিং এবং বিনিয়োগকারীদের গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ডিএসইর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘন, স্বজনপ্রীতি এবং অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার মতো অনিয়মও ঘটেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী দুদকের কাছে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আবেদন জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে ডিএসই বা অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।