ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, ইউনিটদরের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতির কারণ জানতে ফান্ডটির কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। জবাবে ফান্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, ইউনিটদর বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য তাদের কাছে নেই।
তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ জুন ফান্ডটির ইউনিটদর ছিল ৮ টাকা ৪০ পয়সা। মাত্র ১২ কার্যদিবসের ব্যবধানে, ৯ জুলাই তা বেড়ে দাঁড়ায় ১১ টাকা ২০ পয়সায়। অর্থাৎ এ সময়ে ইউনিটপ্রতি দর বেড়েছে ২ টাকা ৮০ পয়সা বা প্রায় ৩৩ শতাংশ।
ফান্ডটির আর্থিক তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬) ইউনিটপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৭৬ পয়সা। তবে এর আগের দুই অর্থবছরে ফান্ডটি ধারাবাহিকভাবে লোকসানে ছিল। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইউনিটপ্রতি লোকসান ছিল ২ টাকা ৯ পয়সা এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে লোকসান হয় ১৭ পয়সা।
২০১০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ফান্ডটির পরিশোধিত মূলধন ৬০ কোটি টাকা। সর্বশেষ শেয়ারধারণ সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের বাইরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ফান্ডটির ৭৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ ইউনিট।
ডিএসইর সতর্কবার্তায় বিনিয়োগকারীদের গুজব বা অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির প্রবণতায় প্রভাবিত না হয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মৌলভিত্তি ও প্রকাশিত তথ্য যাচাই করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।