রোববার (১৯ জুলাই) আদালতের আদেশে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। দুদকের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উদ্ধার হওয়া ওয়ারেন্টি কার্ডের তথ্য অনুযায়ী, ঘড়িটি রোলেক্স সেলিনি ডেট (Rolex Cellini Date, Model 50519) মডেলের, যা ১৮ ক্যারেট হোয়াইট গোল্ড দিয়ে তৈরি। এর সিরিয়াল নম্বর ৭৩৪৫২৪৫৯।
কার্ডে উল্লেখ রয়েছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরী ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি লন্ডনের বিখ্যাত ডিপার্টমেন্টাল স্টোর হ্যারডস থেকে ঘড়িটি কিনেছেন। ওয়ারেন্টি কার্ডে মালিক হিসেবে তার নামও উল্লেখ রয়েছে।
ইন্টারনেটে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ব্যবহৃত এ মডেলের ঘড়ির বাজারমূল্য প্রায় ১৩ হাজার থেকে ১৭ হাজার মার্কিন ডলার। আর নতুন বা অব্যবহৃত মডেলের দাম প্রায় ১৬ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০ লাখ টাকারও বেশি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বিরুদ্ধে বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠে। একই বছরের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। পরবর্তীতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও দায়ের করা হয়।
রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দুদক তার গুলশানের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে মালামাল তালিকাভুক্ত করার কার্যক্রম শুরু করে।