রোববার (১৯ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন নকশার পাসপোর্ট থেকে আগের সংস্করণে থাকা কয়েকটি স্থাপনা ও প্রতীকী ছবি বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতার স্তম্ভ, মডেল মসজিদ, বঙ্গবন্ধু সেতু (যমুনা সেতু), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, নৌকাসহ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের ছবি, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ।
জানা গেছে, নতুন পাসপোর্টের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ও নকশায় বিভিন্ন পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগের জলছাপ ও বিভিন্ন স্থাপনার পরিবর্তে নতুন প্রতীক ও নিরাপত্তা উপাদান যুক্ত করা হচ্ছে। বিশেষ করে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’-এর প্রতীকী উপস্থাপনাকে নতুন ডিজাইনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ বাক্যটি পুনর্বহালের সিদ্ধান্তও নতুন নকশায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে নতুন পাসপোর্টে আবারও উল্লেখ থাকবে যে এটি ‘ইসরায়েল ব্যতীত বিশ্বের সব দেশের জন্য বৈধ’।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান বজায় রাখার পাশাপাশি দেশের সমসাময়িক ইতিহাস ও জাতীয় পরিচয়ের প্রতিফলন ঘটিয়ে নতুন নকশার ই-পাসপোর্ট শিগগিরই ইস্যু শুরু করা হবে।
প্রয়োজনে এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত, অনলাইন নিউজ পোর্টালের ভাষায় বা ফেসবুক পোস্টের উপযোগী করে সাজিয়ে দিতে পারি।