প্রধান বিষয়বস্তুতে যান
সর্বশেষ
৩ মাসে ১৯৩ কোটি টাকার গরুর মাংস রপ্তানি হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ● চার দিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী ● ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ● ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৮৬ ● হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৭ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১,৩১৫ ● ত্রুটি সারিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ঢাকার পথে বিমান ● প্রাণিসম্পদের টিকার শতভাগ উৎপাদন দেশে করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু ● খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে জাইকার সহযোগিতা চাইলেন জনপ্রশাসন উপদেষ্টা ● মানসিক স্বাস্থ্যে বরাদ্দ বাড়ানোর তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, পাবনা হাসপাতাল নিয়ে কড়া বার্তা ● খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণের ওপর গুরুত্ব খাদ্যমন্ত্রীর ●
ঢাকা সিটি কলেজ

১৯৮ শিক্ষকের মধ্যে নিয়োগ অবৈধ ১০৫ জনের

বিজ্ঞাপন
১৯৮ শিক্ষকের মধ্যে নিয়োগ অবৈধ ১০৫ জনের
রাজধানীর ধানমন্ডির ঢাকা সিটি কলেজে শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে আর্থিক ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ খাতেই ব্যাপক অনিয়ম, জালিয়াতি ও আর্থিক বিধি লঙ্ঘনের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) সর্বশেষ অডিট প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলেজটিতে কর্মরত ১৯৮ জন শিক্ষকের মধ্যে ১০৫ জনের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সরকারি আইন, বিধিমালা ও বৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে। একই সঙ্গে গত নয় বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাবে পাওয়া গেছে গুরুতর অসঙ্গতি। ব্যাংকিং বিধি ভেঙে নগদে ৭২ লাখ ৭৭ হাজার ২১৯ টাকা ব্যয়, ভ্যাট ও উৎসে আয়কর বাবদ ৩১ লাখ ২৪ হাজার ৭৫৯ টাকার বেশি সরকারি রাজস্ব ফাঁকি এবং নিয়মবহির্ভূতভাবে গভর্নিং বডির সদস্যদের এক কোটি ৯৭ লাখ ৩৪ হাজার ৮৩০ টাকা সম্মানী দেওয়ার তথ্যও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ডিআইএ এসব অনিয়মকে আর্থিক বিধির গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে চালানের মাধ্যমে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

ক্ষেত্রে সরকারি বিধি অনুযায়ী উৎসে আয়কর কেটে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়নি। এ খাতে একই সময়ে ২ লাখ ৯২ হাজার ৬৭ টাকার আয়করও জমা দেওয়া হয়নি। সবমিলিয়ে ভ্যাট ও আয়কর বাবদ ফাঁকি দেওয়া ৩১ লাখ ২৪ হাজার ৭৫৯ টাকা এবং গভর্নিং বডির নেওয়া এক কোটি ৯৭ লাখ ৩৪ হাজার ৮৩০ টাকা দ্রুত সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে তার চালানের অনুলিপি মন্ত্রণালয়ে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
300*250 Ad-A-P1

অডিট প্রতিবেদনে কলেজটির ভৌত অবকাঠামো ও প্রশাসনিক অবস্থারও বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে কলেজটিতে শিক্ষার্থী রয়েছেন ১০ হাজার ৮১১ জন। প্রায় ৩৯৪ দশমিক ০৩ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে ১৮০টি শ্রেণিকক্ষ। তবে, পরিদর্শনের সময় কলেজ কর্তৃপক্ষ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক নথি ও একাডেমিক হিসাব পরিদর্শন দলের কাছে উপস্থাপন করতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
300*250 Ad One-Green

প্রতিবেদনে কলেজটির বিরুদ্ধে চলমান একাধিক আইনি জটিলতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আবাসিক এলাকায় অবকাঠামো নির্মাণসংক্রান্ত রিট পিটিশন (মামলা নং-৪৭২/২০১৩), ২০১৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির মামলা (মামলা নং-১৯/২৫৮-২০১৩), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার জালিয়াতি মামলা (মামলা নং-১৩২৫২/২০১৩) এবং নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত দুটি মামলা (মামলা নং-০৭/১৮৫-২০১২ ও ০৬/১৮৪-২০১২)। তবে, এসব মামলা পরিচালনায় কলেজের তহবিল থেকে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, তার কোনো হিসাব বা প্রমাণকও অডিট দলকে দেখাতে পারেনি কলেজ কর্তৃপক্ষ।

অডিট প্রতিবেদনে ঢাকা সিটি কলেজের নিয়োগ ও আর্থিক পরিচালনায় যেসব ভয়াবহ অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে, তা সরকারি আইন ও নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সরকারি আইন অমান্য করে কোনো প্রতিষ্ঠানই চলতে পারে না। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিটি টাকার সঠিক হিসাব ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা আবশ্যক

বিজ্ঞাপন
728*90 Ad One-Y

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের অডিট অফিসার চন্দন কুমার দেব এবং সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মনিরুজ্জামান কলেজটি পরিদর্শন করে এ প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর এম. এম. সহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে ঢাকা সিটি কলেজ কর্তৃপক্ষকে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদনে উল্লিখিত সব অনিয়ম, আর্থিক লেনদেন ও রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রমাণকসহ ‘ব্রডশিট’ আকারে জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
728*90 Ad One-P

বিষয়টি নিয়ে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) পরিচালক প্রফেসর এম. এম. সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সততা, স্বচ্ছতা ও সুশাসন বজায় রাখা আমাদের মূল লক্ষ্য।

অডিট প্রতিবেদনে ঢাকা সিটি কলেজের নিয়োগ ও আর্থিক পরিচালনায় যেসব ভয়াবহ অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে, তা সরকারি আইন ও নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সরকারি আইন অমান্য করে কোনো প্রতিষ্ঠানই চলতে পারে না। শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিটি টাকার সঠিক হিসাব ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা আবশ্যক।’

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রতিবেদনের ব্রডশিট জবাবের জন্য ১৫ কার্যদিবস সময় দিয়েছি। জবাব ও প্রমাণক পর্যালোচনার পর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

বিজ্ঞাপন
728*90 Ad One-be
ঢাকা ম্যাগাজিনের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
শিক্ষা থেকে আরও
৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

২২ ঘণ্টা আগে
ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে শিক্ষাসচিব, জোর দিলেন যৌথ গবেষণায়

ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে শিক্ষাসচিব, জোর দিলেন যৌথ গবেষণায়

২ দিন আগে
কলেজে ভর্তির সুযোগ চান এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা

কলেজে ভর্তির সুযোগ চান এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা

১ সপ্তাহ আগে
এইচএসসির ফল ২৯ অক্টোবর প্রকাশের সম্ভাবনা

এইচএসসির ফল ২৯ অক্টোবর প্রকাশের সম্ভাবনা

১ সপ্তাহ আগে
বাপাজসের কোষাধ্যক্ষ হলেন পাবিপ্রবির উপপরিচালক বাবুল হোসেন

বাপাজসের কোষাধ্যক্ষ হলেন পাবিপ্রবির উপপরিচালক বাবুল হোসেন

১ সপ্তাহ আগে
প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বেড়ে হচ্ছে ৩ বছর, পিটিআইয়ের সক্ষমতা বাড়বে ৬ গুণ

প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বেড়ে হচ্ছে ৩ বছর, পিটিআইয়ের সক্ষমতা বাড়বে ৬ গুণ

২ সপ্তাহ আগে