সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জোটের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। এতে জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা অংশ নেন।
বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আগামী ৫ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর পল্টনে আয়োজিত সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন। পাশাপাশি রক্তাক্ত জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর কর্মসূচি সফল করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং চলমান ও ভবিষ্যৎ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আগামী ৩ আগস্টের বৈঠকে এসব বিষয়ে চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে হামিদুর রহমান আযাদ হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রা-২০২৬’ কর্মসূচিতে এনসিপির নেতাদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান।
তিনি বলেন, মতপার্থক্য থাকলে তার রাজনৈতিক জবাব রাজনৈতিকভাবেই দিতে হবে। রাজনৈতিক কর্মসূচি সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিহত করার চেষ্টা অতীতের ফ্যাসিবাদী আচরণের পুনরাবৃত্তি।
সরকারের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, রাষ্ট্র পরিচালনা, গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, সিলেটে সংঘটিত হামলায় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জড়িত এবং তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা উচিত।
বৈঠক ও প্রেস ব্রিফিংয়ে এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, জাগপার সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমীন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিবসহ জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।