শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং আশপাশের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক পরিদর্শনকালে তিনি এসব ব্যবস্থা নেন।
অভিযান চলাকালে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় মর্ডান ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং নিউ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড ক্লিনিক সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া সরকারি অফিস চলাকালে ব্যক্তিগত ক্লিনিকে রোগী দেখার অভিযোগে দুই চিকিৎসককে শোকজ করা হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং ভর্তি ও বহির্বিভাগের রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান সম্পর্কে খোঁজ নেন। তিনি রোগীদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের মানও সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘পরকালের কথা চিন্তা করে দায়িত্ব পালন করবেন। মনে রাখবেন, আপনার-আমার প্রত্যেক কাজের জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সরকারি হাসপাতালগুলোকে ৩১ শয্যায় উন্নীত করেছিলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সেগুলোকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন এবং বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ভবিষ্যতে হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে।
সরকারের স্বাস্থ্যখাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রতিটি উপজেলায় পর্যায়ক্রমে ক্যান্সার ইউনিট, ফিজিওথেরাপি ইউনিট ও কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিট স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে শিশু হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পরিদর্শন শেষে তিনি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসাসেবার মান এবং রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে বলেন, জনগণের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের অনিয়মের সঙ্গে আপস করা হবে না।