তিনি জানান, ৬ আগস্টের জন্য ঘোষিত ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি একদিন এগিয়ে ৫ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়।
সময় সংবাদকে দেওয়া বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ বলেন, “ফ্যাসিবাদ পতনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোড় ছিল এই সিদ্ধান্ত। তখন ঝুঁকি নেওয়ার সুযোগ ছিল না। একবার ব্যর্থ হলে আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ থাকত না। হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হতে পারত। আমাদেরও হয়তো হত্যা করা হতো। তাই আগের কর্মসূচি ঘোষণার দুই-তিন ঘণ্টার মধ্যেই সেটি পরিবর্তন করে একদিন এগিয়ে আনি।”
৩৫ জুলাইয়ের সেই উত্তাল সময়ে সেনাবাহিনীর সাবেক কয়েকজন কর্মকর্তাও সশস্ত্র বাহিনীকে ছাত্র-জনতার মুখোমুখি না দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
এরপর ‘পরশু নয়, আগামীকালই লং মার্চ টু ঢাকা’ ঘোষণাটি আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চার করে। ৫ আগস্ট ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো মানুষ রাজপথে নেমে গণভবনের অভিমুখে যাত্রা করেন।
সেই দিনটিই শেষ পর্যন্ত ১৭ বছরের শাসনের অবসানের পথ তৈরি করে এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে স্থান করে নেয়।





