মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে কেজিডিসিএল এ তথ্য জানায়।
গত দুই সপ্তাহ ধরে গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। একই সময়ে বিদ্যুতের লোডশেডিং পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এতে অনেক শিল্পকারখানায় উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে দেশীয় বাজারের সরবরাহ এবং রপ্তানির ওপর।
শিল্পসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের মতে, গ্যাসের স্বল্পতায় কাচ, ইস্পাত, বস্ত্র, তৈরি পোশাক, সিরামিক, বিস্কুট, কেকসহ বিভিন্ন উৎপাদনমুখী শিল্প সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাজারের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করা যাচ্ছে না।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় প্রতি ইউনিট পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেছে। এতে অনেক প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত আর্থিক চাপের মুখে পড়েছে এবং লোকসানের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
রপ্তানিমুখী শিল্পও এই সংকটের প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বিদেশি ক্রেতাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, যা রপ্তানি খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
শিল্প মালিকদের আশঙ্কা, গ্যাস সরবরাহ দ্রুত স্বাভাবিক না হলে অনেক প্রতিষ্ঠানকে উৎপাদন আরও কমাতে হতে পারে। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে কিছু কারখানায় কর্মী ছাঁটাইয়ের মতো কঠিন সিদ্ধান্তও নিতে হতে পারে বলে তারা সতর্ক করেছেন।
এমন পরিস্থিতিতে কেজিডিসিএলের পক্ষ থেকে বুধবার থেকে ধাপে ধাপে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনার ঘোষণা শিল্প খাতের জন্য কিছুটা স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।