সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় এক বিশেষ আলোচনায় সঞ্জয় কুমার ঝা উল্লেখ করেন, তিন দশক আগে সম্পাদিত এই চুক্তিটি বিহারের কৃষি, সেচ ব্যবস্থা এবং সুপেয় পানি সরবরাহের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে, যখন বিহারে তীব্র পানির সংকট দেখা দেয়, তখন গঙ্গার পানি বাংলাদেশে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও জানান, কলকাতা বন্দরের নাব্যতা রক্ষার উদ্দেশ্যে ফারাক্কা ব্যারাজ তৈরি করা হলেও এটি বিহারের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নামিয়ে দিয়েছে। এই কারণে মেয়াদের শেষ প্রান্তে এসে পুরনো চুক্তিটি আর নবায়ন না করার দাবি জানান তিনি।
বিহার সরকারের নিজস্ব পূর্বাভাসের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে রাজ্যের জন্য প্রায় ২ হাজার কিউসেক অতিরিক্ত পানির প্রয়োজন হবে। তাই বিহারের পানির দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা এবং অঞ্চলটির লাখ লাখ মানুষের জীবিকার সুরক্ষা নিশ্চিত না করে বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান ফারাক্কা চুক্তি আর বাড়ানো হলে তা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হবে বলে তিনি সতর্ক করেন
