শনিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকা-এর নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ, অভিষেক ও বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, বরুড়া উপজেলার প্রায় ৩০০টি ছোট-বড় রাস্তা বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে এলাকায় কোনো কাঁচা রাস্তা থাকবে না—এমন লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। পাশাপাশি পূর্ব-পশ্চিম ও উত্তর-দক্ষিণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতে তিনি জানান, বরুড়ায় একটি টেকনিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং চলতি বছরের শেষ নাগাদ এর টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১০১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাসহ এলাকার স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
জনগণের ভোট ও দোয়ার মাধ্যমেই তিনি দায়িত্ব পেয়েছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে জনগণের কাছে নিয়মিত জবাবদিহি করতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।
বরুড়া উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. শাহ আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনির হোসেনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. মো. রুহুল আমিন, আব্দুল হক, মনীন্দ্র কিশোর মজুমদার ও নুরুল ইসলাম মিলন সমিতির কার্যক্রম, অগ্রগতি ও পরিকল্পনা নিয়ে বক্তব্য দেন। এতে ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান ও মো. আব্দুস সামাদসহ সমিতির কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও সাধারণ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে নবনির্বাচিত পরিষদের সদস্যদের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ ও অভিষেক সম্পন্ন হয়। পরবর্তীতে বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের বিভিন্ন অর্জন, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও এলাকার মানুষের কল্যাণে নেওয়া উদ্যোগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।





