বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলোর মূলধন ঘাটতি, উচ্চ খেলাপি ঋণ, তারল্য সংকট ও আয়ক্ষমতার অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোকে রেজল্যুশনের আওতায় এনে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের প্রশাসক ও সহ-প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যারা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়া তদারক করবেন।
২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে এফএএস ফাইন্যান্সের খেলাপি ঋণের হার ৯৯.৯৯%, ফারইস্টে ৯৮.৫০%, আভিভায় ৯৩.৯৩% এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে ৯৯.৪৪%। এর আগে গত বছর নয়টি প্রতিষ্ঠানকে 'অপরিচালনযোগ্য' চিহ্নিত করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এগুলোর মধ্যে বাকি পাঁচটি হলো—পিপলস লিজিং, বিআইএফসি, প্রিমিয়ার লিজিং, জিএসপি ফাইন্যান্স ও প্রাইম ফাইন্যান্স।
নয়টি প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক আমানত রয়েছে ১৫ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৩ হাজার ৫২৫ কোটি টাকা ক্ষুদ্র আমানতকারীদের। বর্তমানে দেশে ৩৫টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২০টি সমস্যাগ্রস্ত, যাদের খেলাপি ঋণের হার ৮৩.১৬%। বিপরীতে ভালো অবস্থানে থাকা ১৫টি প্রতিষ্ঠানের খেলাপি হার প্রায় ৭% এবং তাদের মুনাফা ১ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এ পদক্ষেপে আর্থিক খাতে সুশাসন ফিরবে ও জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার হবে।





