ভারতের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (পিআইবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশের যাত্রীদের চাহিদা ও পরিচালন ব্যবস্থা বিবেচনা করে কোচগুলোতে বিশেষ সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। প্রথম রেকে রয়েছে তিনটি এসি স্লিপার, তিনটি এসি চেয়ার কার, ১১টি নন-এসি চেয়ার কার এবং দুইটি পাওয়ার কার।
আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য কোচে রয়েছে উন্নত রিক্লাইনিং চেয়ার, স্টেইনলেস স্টিলের আর্মরেস্ট ও ফুটরেস্ট। চেয়ারগুলো একাধিক অবস্থানে হেলান দেওয়ার সুবিধা রাখা হয়েছে।
নিরাপত্তা ও সুবিধার অংশ হিসেবে রয়েছে সিসিটিভি নজরদারি, যাত্রী অ্যালার্ম সিস্টেম, আংশিক খোলা যায় এমন জানালা, শিশু পরিচর্যা কক্ষ ও নামাজের কক্ষ। এছাড়া বাংলাদেশের বাস্তবতায় যাত্রীদের ছাদে ওঠার মতো ঝুঁকি মোকাবিলায় কোচের ছাদ কাঠামো শক্তিশালী করা হয়েছে।
প্রযুক্তিগত দিক থেকেও যুগান্তকারী পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইউরোপীয় মান অনুযায়ী দুর্ঘটনায় যাত্রী নিরাপত্তা বাড়াতে ‘ক্র্যাশওয়ার্দি ডিজাইন’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা বাংলাদেশ রেলওয়ের উপযোগী ৪১৫ ভোল্টে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ভারতের প্রচলিত কোচে ৭৫০ ভোল্ট ব্যবহৃত হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৫-১৬ সালে বাংলাদেশকে ১২০টি এলএইচবি কোচ সরবরাহ করেছিল আরসিএফ। ২০২৪ সালে রাইটস চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়ে আরও ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ তৈরির দায়িত্ব দেয়, যা সাতটি ভিন্ন ভ্যারিয়েন্টে সরবরাহ করা হবে।





