রোববার (১৬ আগস্ট) পঞ্চগড়ে 'জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬' উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদফতরের আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাছ দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ ও গুরুত্বপূর্ণ প্রাণিজ আমিষের উৎস। মাছের উৎপাদন বাড়িয়ে মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও সাধারণ মানুষকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

বিদ্যুৎ খাতেও চুরির অভিযোগ
বিগত সরকারকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকার বিদ্যুৎ খাতকে চুরির ভান্ডারে পরিণত করেছিল। উৎপাদনকেন্দ্রগুলোতে নিজেদের আত্মীয়স্বজন ও দলীয় লোকজনকে অন্তর্ভুক্ত করায় সংকট তৈরি হয়েছিল। সরকার গঠনের পর সেই সংকট মোকাবিলা করতে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে ধীরে ধীরে তা কাটিয়ে উঠছি।
প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি সরাসরি দেখভাল করছেন এবং জাতির কাছে দুঃখ প্রকাশ করে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন বলেও জানান তিনি। আশা করা হচ্ছে, অল্প সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সংকট কাটিয়ে স্বাভাবিক সরবরাহ সম্ভব হবে।
সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাড়ির ছাদ, অনাবাদি জমি, নদীর তীরসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যক্তিগত, সমষ্টিগত ও বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
সার নিয়ে কোনো সিন্ডিকেট হলে জানাতে আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
এর আগে তিনি পঞ্চগড় সদর উপজেলায় একটি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। সভায় জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ডা. কে. এম. এন. আব্দুল হালিমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পাঁচজন মৎস্যচাষিকে পুরস্কার ও সম্মাননা দেওয়া হয়।





