নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথমে নিয়োগকর্তাকে প্রয়োজনীয় কর্মীর জন্য আবেদন ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। এরপর মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ওয়ান-স্টপ সেন্টারে বিদেশি কর্মীর কোটা চেয়ে আবেদন করতে হবে।
কাগজপত্র যাচাই ও সাক্ষাৎকারের পর কোটা অনুমোদন দেওয়া হবে। পরবর্তী ধাপে লেভি ও সরকারি ফি পরিশোধের পর নিয়োগকর্তাকে শর্তসাপেক্ষ অনুমোদনপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
এরপর কর্মীর নিজ দেশে মালয়েশিয়ার দূতাবাস বা সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক মিশনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। ষষ্ঠ ধাপে অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ ও মালয়েশিয়ায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
এরপর ভিসা উইথ রেফারেন্স (ভিডিআর) সংগ্রহ এবং সবশেষে মালয়েশিয়ায় কর্মীর প্রবেশের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের জন্য ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সি ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ৪০টির বেশি মেডিকেল সেন্টারের তালিকা প্রকাশ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের। তবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শ্রমবাজার পুনরায় চালু করতে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।




