সচিবালয়ে নিত্যপণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় তিনি বলেন, শুধু রমজান নয়, বছরজুড়েই বাজার ব্যবস্থাপনায় ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, উৎপাদক ও সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয় বাড়ানো হবে। অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়ানো বা অতিরিক্ত মুনাফার চেষ্টা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন, পরিবহন সমস্যা ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কিছু এলাকায় বাজারে প্রভাব পড়েছে। তবে শীতকাল সামনে থাকায় নতুন সবজি বাজারে এলে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
তিনি জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে নজরদারি বাড়ানো হবে। আমদানিকারকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে মজুত, আমদানি ও সরবরাহ পরিস্থিতিও পর্যালোচনা করা হবে।
সভায় উপস্থাপিত তথ্যে জানানো হয়, গত বছরের তুলনায় নিত্যপণ্যের আমদানি পরিস্থিতি ইতিবাচক। গত বছরের ১ জুলাই থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪২ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল আমদানি হলেও চলতি বছর একই সময়ে তা বেড়ে এক লাখ ছয় হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। ভোজ্যতেলের কাঁচামাল আমদানিও দুই লাখ ৭৩ হাজার টন থেকে বেড়ে তিন লাখ ৮৬ হাজার টনে পৌঁছেছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, পণ্যের উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত সরবরাহব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতে ট্রেসেবিলিটি কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ, যৌক্তিক মূল্য ও ভোক্তার আস্থা নিশ্চিত করতে সরকার ও বেসরকারি খাতকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।




