ইতালির রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) আয়োজিত ‘এফএও গ্লোবাল কনফারেন্স ফর অ্যাকশনস অন ওয়ান হেলথ ইন এগ্রিফুড সিস্টেমস’-এর সাইড ইভেন্টে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পিপিআর নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী টিকাদান ও নজরদারি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে পিপিআর রোগমুক্ত মর্যাদা অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নজরদারিতে কোনো প্রাদুর্ভাব শনাক্ত না হওয়ায় ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউওএএইচ) কাছে পিপিআর নির্মূল কর্মসূচির ডসিয়ার জমা দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, বাংলাদেশ ২০২৫-২০২৮ মেয়াদে এফএমডি নিয়ন্ত্রণ কৌশল প্রণয়ন করেছে। লক্ষ্যভিত্তিক এফএমডি টিকাদানের ছয়টি ধাপ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং সপ্তম ধাপ চলমান। পাশাপাশি এফএমডির ক্লিনিক্যাল ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা ও প্রাণিরোগের প্রাদুর্ভাব তদন্ত ও প্রতিক্রিয়া বিষয়ক মাঠপর্যায়ের নির্দেশিকাও তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এফএমডির এসএটি-১ সেরোটাইপ নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ রয়েছে। বাংলাদেশে এখনো এটি শনাক্ত না হলেও সীমান্ত পারাপার, প্রাণিসম্পদের চলাচল, সংশ্লিষ্ট উপকরণ আমদানি এবং ঈদুল আজহায় প্রাণীর বাড়তি চলাচলের কারণে ঝুঁকি রয়েছে। এ ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
প্যানেল আলোচনায় তানজানিয়া, চাঁদ, ক্যামেরুন, নাইজেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, আফ্রিকান ইউনিয়ন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।




