বুধবার সচিবালয়ে ন্যাশনাল ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন কমিটির দশম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। মন্ত্রী বলেন, পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সরকারি দপ্তরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। এসব উদ্যোগের সুফল ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছাতে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।
সভায় জানানো হয়, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বাণিজ্য সহজীকরণ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের ৫৪টি পদক্ষেপের মধ্যে ৪৭টি বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকি সাতটি পদক্ষেপ ২০৩০ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।
বাণিজ্যসংক্রান্ত সনদ, লাইসেন্স ও পারমিটের সেবা এক প্ল্যাটফর্মে আনতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডোতে ইতোমধ্যে ১৯টি সংস্থা যুক্ত হয়েছে। আরও ১৮টি দপ্তরকে যুক্ত করার উদ্যোগ চলছে। ঝুঁকি বিশ্লেষণভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু হলে পণ্য খালাস আরও দ্রুত হবে বলে সভায় জানানো হয়।
সভায় পচনশীল কৃষিপণ্য রপ্তানির জন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বেনাপোল, মোংলা ও চট্টগ্রামে কোল্ড স্টোরেজ, প্যাকিং হাউস ও কোল্ড চেইন অবকাঠামো উন্নয়নের অগ্রগতিও তুলে ধরা হয়।
বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান বলেন, বাণিজ্য সহজীকরণের সব কার্যক্রম এককভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতায় নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।




