বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) পাবনা শহরের একটি সংবাদপত্র কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, হত্যার প্রায় ১৫ মাস ও লাশ উত্তোলনের আট মাস পেরিয়ে গেলেও মামলার কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরছেন এবং তাদের হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন বলেও দাবি করেন তারা।
নাফিউল গণবিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত বছরের ৯ জুন সকালে ফরিদপুরের দিঘুলিয়া গ্রামের বাড়িতে তার মরদেহ দেখতে পান বাবা-মা। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচা ও চাচাতো ভাইদের বিরুদ্ধে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ করেছেন পরিবার।
পরে নাফিউলের মা নাসিমা আক্তার ছয়জনকে আসামি করে আদালতে হত্যা মামলা করেন। তদন্তের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি কবর থেকে নাফিউলের মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
নাফিউলের বাবা রেজাউল করিম বলেন, আসামিদের পক্ষ থেকে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার, ফরেনসিক প্রতিবেদন প্রকাশ এবং চার্জশিট দিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তির দাবি জানান।
ফরিদপুর থানার ওসি মঞ্জুরুল আলম মাসুদ বলেন, ফরেনসিক প্রতিবেদন চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তাগাদা দেওয়া হয়েছে। হুমকির বিষয়ে জিডি নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি নতুন দায়িত্বে যোগ দিয়েছেন জানিয়ে মামলার বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে দেখার কথা বলেন।
তবে মামলার প্রধান অভিযুক্ত ইব্রাহিম হোসেন নিহতের পরিবারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, নাফিউল কীভাবে মারা গেছেন তারা জানেন না। বিষয়টি আদালতেই প্রমাণ হবে।




