বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার জন্য চিকিৎসার পাশাপাশি নিরাপদ ও কার্যকর ওষুধ, দক্ষ ফার্মাসিস্ট এবং গবেষণা ও উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
ঢাকার ফার্মগেটে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, দেশে ফার্মাসি শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে। মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি বিভাগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ, ইতিবাচক দিক।
বাংলাদেশের তৈরি ওষুধ ১৬০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের ওষুধ শিল্প গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে। এ অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে ফার্মাসিস্টদের গবেষণা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
গণমাধ্যম ও চিকিৎসকদের সম্পর্ক প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তারা একে অপরের প্রতিপক্ষ নন। স্বাস্থ্যসেবার সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা গণমাধ্যমে উঠে এলে তা সংশোধনের সুযোগ তৈরি হয় এবং সেবার মান উন্নত করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে ইউএপির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়াসহ বাংলাদেশ ফার্মাসি কাউন্সিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদ ও ইউএপির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




