সোমবার রাজধানীর তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল—‘Stronger Together: একসাথে, আরও শক্তিশালী—জলাতঙ্কমুক্ত বিশ্ব গড়ি’।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহরের তুলনায় প্রান্তিক পর্যায়ে জলাতঙ্ক বিষয়ে সচেতনতা কম। ফলে গ্রামাঞ্চলে রোগে মৃত্যুর ঘটনাও বেশি দেখা যায়। তাই শহরের পাশাপাশি গ্রাম পর্যায়েও টিকাদান, জনসচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রাণীর রোগ নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষাও সরাসরি জড়িত। তাই প্রাণিস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্যকে সমন্বিতভাবে বিবেচনায় নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে সেমিনার, প্রচার-প্রচারণা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. রেজাউল আমিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মূল প্রবন্ধে দেশে জলাতঙ্ক পরিস্থিতি, কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি এবং ২০৩০ সালের মধ্যে জলাতঙ্ক নির্মূলের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়।
এর আগে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে (কেআইবি) একটি র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রাণিসম্পদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, ভেটেরিনারিয়ান, শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।




