মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অডিটোরিয়ামে জালালাবাদ ছাত্রকল্যাণ সমিতির নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রথমে সিলেটে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করে পর্যায়ক্রমে বিভাগের অন্য জেলাগুলোয় সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে তরুণদের ফ্রিল্যান্সিং ও আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজের উপযোগী করে গড়ে তোলা এবং দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ বাড়ানো হবে।
তিনি বলেন, সিলেটে ফ্রিল্যান্সিংয়ের বড় সম্ভাবনা রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীদের এমন দক্ষতায় গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা নিজেরাই আয় করতে পারেন এবং বিদেশি প্রতিষ্ঠানের তথ্যপ্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট কাজ বাংলাদেশে নিয়ে আসতে পারেন।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণায় বিনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ ও টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য এসব খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ প্রয়োজন। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে পর্যায়ক্রমে বাজেট বাড়িয়ে মোট দেশজ উৎপাদনের পাঁচ শতাংশের সমপরিমাণ বিনিয়োগের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি।
সিলেটের শিক্ষা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, সাক্ষরতার হার ও শিক্ষার বিভিন্ন সূচকে অঞ্চলটি জাতীয় গড়ের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। তবে এটি সিলেটের মানুষের মেধার ঘাটতি নয়; বরং অবকাঠামো, প্রতিষ্ঠানগত সক্ষমতা, নেতৃত্বসহ বিভিন্ন কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্ব, গবেষণা, উদ্ভাবন ও দেশ গঠনের দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এতে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষক, আইনজীবী, সমিতির বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং সিলেট অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।




