বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, জ্বালানি গ্রহণ ও পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রাশিয়া থেকে বিশেষ কার্গো বিমানে করে জ্বালানি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার জ্বালানি আসার কথা থাকলেও তা একদিন পিছিয়ে শুক্রবার দুপুরে নির্ধারণ করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে জ্বালানি পরিবহনে কোনো জটিলতা নেই।
রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য দুটি—মোট নয়টি কার্গোতে পারমাণবিক জ্বালানি আনা হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন জানিয়েছে, ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো জ্বালানি সরবরাহ সম্পন্ন হবে।
রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ইতোমধ্যে জ্বালানি লোড করা হয়েছে। প্রায় দেড় বছর পর ব্যবহৃত জ্বালানির এক-চতুর্থাংশ পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম তিন বছর রাশিয়া জ্বালানি সরবরাহ করবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করতে হবে। সেফটি ভালভের ত্রুটি মেরামত করা হলেও এসব পরীক্ষা সফল হওয়ার পরই উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হবে।




