পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি। বন্দরটি পুনরায় সচল করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান বলেন, মোগলহাট স্থলবন্দর চালু হলে বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ার পাশাপাশি লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
তিনি জানান, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এরই মধ্যে বন্দরের অবকাঠামো ও সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করে প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বন্দর চালুর প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্দরটি চালু করতে নদীর ওপারে সেতু, সড়ক, ছোট একটি স্টেশন ও প্রয়োজনীয় জনবল দরকার। এসব তৈরিতে সরকার প্রস্তুত থাকলেও ভারতের অংশে কার্যক্রম শুরু এবং দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় ধরলা নদীর ওপর রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর মোগলহাট স্থলবন্দরের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। বন্দরটি পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।




