মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির দ্বিতীয় ব্যাচের সমাপনী ও তৃতীয় ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, সাইবার আইন নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে জনমত গ্রহণ চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দিতে একটি আইনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে অংশীজনদের মধ্যে মতৈক্য রয়েছে। তবে আইনের ভাষা ও কাঠামো নিয়ে বিভিন্ন মতামত এসেছে। সেগুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আইনটি এখনো প্রাথমিক খসড়া পর্যায়ে রয়েছে।
সাংবাদিকদের উদ্বেগের বিষয়ে তিনি বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের স্বার্থ এবং অতীতে নিবর্তনমূলক আইন অপব্যবহারের বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। সবার মতামত নিয়েই আইন প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।
বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠনের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সংবিধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় এ নিয়ে সংবিধান সংস্কার কমিটিও কাজ করছে। সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিষয়টি এগিয়ে নেওয়া হবে।
প্রবাসী শ্রমিকদের আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রবাসীরা দেশে ফিরে যাতে ভোগান্তি ছাড়াই আইনি প্রতিকার পান, সে জন্য এক জায়গা থেকে বিভিন্ন ধরনের সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা ভাবছে সরকার।




