প্রতিমন্ত্রী জানান, শিক্ষকদের আধুনিক শিখনপদ্ধতিতে পারদর্শী করতে প্রশিক্ষণের নতুন ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি হচ্ছে। নতুন নিয়মে শিক্ষকরা পিটিআইতে দুই মাসের ইন-ক্যাম্পাস প্রশিক্ষণ শেষে ক্লাসে ফিরবেন এবং আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে বাকি মডিউল পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করবেন। পিটিআইয়ের বার্ষিক সক্ষমতা ৭ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৪২ হাজারে উন্নীত করা হবে। এছাড়া, ২০২৭ সালের মধ্যে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ শিশুর জন্য পুষ্টিকর ‘মিড-ডে মিল’ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।
শিক্ষকদের প্রযুক্তিতে দক্ষ করতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ এবং ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ ইকোসিস্টেম তৈরি করা হচ্ছে। প্রধান শিক্ষকের প্রায় ৩৭ হাজার শূন্য পদে পদোন্নতি প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ জানান, আইনি প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আদালতের চূড়ান্ত রায়ের কপি পেলেই পিএসসির মাধ্যমে পদোন্নতি দেওয়া হবে, যার ফলে বিপুলসংখ্যক নতুন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পথও উন্মুক্ত হবে। পাশাপাশি, দুর্গম এলাকার শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ভাতা ও আবাসিক স্কুল প্রতিষ্ঠার চিন্তাভাবনা করছে সরকার।


