গত ২ অক্টোবর ভারত সরকার লাদাখ প্রশাসনের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) বরাবর গোগরা ও হট স্প্রিংসহ ২৮টি কৌশলগত অবস্থানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় মানচিত্রে চিহ্নিত করে। এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল সরকারি কার্টোগ্রাফির মান উন্নত করা এবং সীমান্ত এলাকার সঠিক পরিচিতি নিশ্চিত করা। ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা নতুন বা প্রামাণ্য নামের তালিকায় উচ্চ উচ্চতার শৃঙ্গ, হিমবাহ, নদী ও উপত্যকা রয়েছে।
তবে ভারতের এই পদক্ষেপের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং একে ‘অবৈধ ও বাতিলযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ভারতের একতরফাভাবে প্রতিষ্ঠিত ‘তথাকথিত লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল’ বেইজিং কখনোই স্বীকৃতি দেয়নি। ২০২০ সালের জুনে গালওয়ান উপত্যকায় সংঘাতের পর থেকে দুই দেশের এলএসি বরাবর ভূখণ্ড দখলের অভিযোগের মধ্যে এই নতুন নামকরণ এবং মানচিত্রায়ণ উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।


