কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশে এমন অনেক কীটনাশক আমদানি ও ব্যবহার করা হচ্ছে, যা বিশ্বের বহু দেশে প্রচলিত নয়। তাই কীটনাশক আমদানির বিদ্যমান নীতিমালা ও পরীক্ষাব্যবস্থা পর্যালোচনা করে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। কৃষকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও খাদ্যে কীটনাশকের ক্ষতিকর অবশিষ্টাংশ রোধে সরকার এরই মধ্যে একাধিক কমিটি গঠন করেছে। শুধু উৎপাদন বাড়ানো নয়, বরং খাদ্যকে নিরাপদ ও পুষ্টিকর করতে কৃষকদের কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং উত্তম কৃষিচর্চা অনুসরণের ওপর জোর দেন তিনি।
পোলট্রি খাদ্যে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার রোধ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণেও নজরদারি বাড়ানোর কথা জানান মন্ত্রী। বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুডের সেমিনার আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ম. তামিম, জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


