বৈঠকে প্রতিনিধিদল জানায়, চীনের বৃহৎ জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে তাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং চীন ছাড়াও বিভিন্ন দেশে তারা কাজ করছে। তাদের এই আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পায়রা বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জ্বালানি চাহিদা পূরণেও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জাতীয় স্থাপনা হিসেবে পায়রা বন্দরের নিরাপত্তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। যেকোনো বিনিয়োগ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে জাতীয় স্বার্থ, নিরাপত্তা এবং নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর জোর দেন তিনি। বৈঠকে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


