মন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিমের পাশাপাশি ব্যবহৃত উপকরণও নিরাপদ হতে হবে। বিশেষ করে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের (এএমআর) ঝুঁকি কমাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে নবীন কর্মকর্তাদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ চেতনাকে ধারণ করে নবীন কর্মকর্তাদের দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান এবং মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, ৪৫তম বিসিএস থেকে মৎস্য ক্যাডারে ২৫ জন এবং পশুসম্পদ ক্যাডারে ২১ জন কর্মকর্তা আজ মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেছেন।


