রোববার (৮ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে পরীমনি লেখেন, ‘এদের এ কেমন বয়কটের ধরন! বয়কট ঘোষণা করে আমারে ফ্রেন্ডলিস্টে রাইখা দিছে।’
এদিকে পরীমনির সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে দেশের চারটি সাংবাদিক সংগঠন। সংগঠনগুলো হলো—মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআরএ), মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি (এমআরইউ), ডিজিটাল রিপোর্টার্স ফোরাম (ডিআরএফ) ও ইয়ুথ জার্নাল।
চট্টগ্রামে অনুষ্ঠেয় ‘চট্টগ্রাম ফ্যাশন ভ্যানগার্ড অ্যাওয়ার্ড’-এর অতিথি তালিকা থেকেও পরীমনিকে বাদ দিয়েছেন আয়োজকরা। সাংবাদিকদের প্রতিবাদ, বয়কট ও প্রতিহতের ঘোষণার মুখে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অনুষ্ঠানের মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর ও পার্টনার খালেদ সুমন।
এর আগে গত শুক্রবার (৬ নভেম্বর) পরীমনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অনুষ্ঠানের পোস্টার শেয়ার করে লিখেছিলেন, ‘দেখা হচ্ছে প্রিয় চট্টগ্রাম।’ পোস্টারটি ছড়িয়ে পড়ার পর চট্টগ্রামে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।
পরীমনিকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর)। এদিন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান তিনি। ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মামলায় পরীমনির জামিন বাতিল করে আগে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল; পরে বিচারক ৫০০ টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।
আদালত থেকে বের হওয়ার সময় পরীমনির ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের ধাক্কাধাক্কি হয়। এ সময় এক সাংবাদিককে হেনস্তা এবং তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ভিড়ের মধ্যে কেউ তাকে স্পর্শ করেছেন—এমন অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পরীমনি।




