বৈঠকের শুরুতে স্পিকার গালিবাফ ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে অংশ নিতে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের আগমনে আন্তরিক স্বাগত জানান।
এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তার হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানান। তিনি জাতীয় শোকের এ সময়ে ইরান সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে সংহতি প্রকাশ করেন।
স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং জনগণের মধ্যে গভীর যোগাযোগ বিদ্যমান, যা ভবিষ্যতেও আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক শান্তি সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে স্পিকার গালিবাফের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ ইরানের জনগণ এবং সমগ্র অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।
চলমান শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সব অমীমাংসিত ইস্যুর টেকসই সমাধান সম্ভব।
বৈঠক শেষে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ স্পিকার গালিবাফকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
এর আগে রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিতে বৃহস্পতিবার তেহরানে পৌঁছান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। ইরানের ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলির ডেপুটি স্পিকার হামিদ রেজা হাজী বাবাই বিমানবন্দরে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান।